বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম বাংলা কিওর খোলার নিয়ম bkash merchant account opening 2026
বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে ক্যাশলেস লেনদেন এখন আর বিলাসিতা নয়, ব্যবসার জন্য একান্ত প্রয়োজন। আপনার ছোট্ট চায়ের দোকান হোক কিংবা বড় ই-কমার্স সাইট, গ্রাহকের হাতে নগদ টাকা না থাকলেও যাতে বিক্রি আটকে না যায়, সেজন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট (bKash Merchant Account) একটি বিশ্বস্ত সমাধান। ২০২৬ সালে এসে এই অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্মার্টফোনকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। “কিওর” বলতে আসলে আমরা QR কোড-কেই বুঝিয়ে থাকি, যা এখন মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের প্রাণ। আজকের এই বিস্তারিত গাইডে আমরা শিখব কীভাবে সম্পূর্ণ বাংলা নিয়মে বিকাশ কিউআর কোড খোলার নিয়ম সহ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলবেন, তার খরচ, সুবিধা এবং ২০২৬ সালের হালনাগাদ সব তথ্য।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কী এবং কেন খুলবেন?
সাধারণ পার্সোনাল বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ আলাদা। এটি একটি বিশেষ ব্যবসায়িক হিসাব, যা আপনাকে গ্রাহকের কাছ থেকে সরাসরি বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার সুযোগ দেয়। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, গ্রাহক আপনার দোকানের QR কোড স্ক্যান করেই পেমেন্ট করতে পারবেন, কোনো টাকা পাঠানোর চার্জ (ক্যাশ আউট চার্জ) ছাড়াই।
২০২৬ সালে মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার শীর্ষ কারণ:
শূন্য ক্যাশ আউট চার্জ: গ্রাহক পেমেন্ট পাঠালে টাকা সরাসরি আপনার মার্চেন্ট ওয়ালেটে জমা হয়। এই টাকা আপনি ব্যাংকে তুলতে পারবেন বিনা খরচে অথবা নামমাত্র চার্জে, যা পার্সোনাল অ্যাকাউন্টের ১.৮৫% ক্যাশ আউট চার্জ থেকে অনেক সাশ্রয়ী।
তাৎক্ষণিক পেমেন্ট নোটিফিকেশন: পেমেন্ট আসার সাথে সাথেই মোবাইলে মেসেজ এবং অ্যাপে নোটিফিকেশন পাবেন।
গ্রাহক ধরে রাখা: ক্যাশলেস পেমেন্টের সুবিধা থাকলে তরুণ প্রজন্মসহ সব ক্রেতাই আপনার দোকানে আসতে আগ্রহী হবেন।
হিসাব রাখা সহজ: দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক লেনদেনের রিপোর্ট সরাসরি bKash Merchant App-এ পাবেন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য যা যা প্রয়োজন
অনলাইনে আবেদনের আগে নিচের জিনিসগুলো হাতের কাছে রাখুন। ২০২৬ সালে নিয়ম আরও কঠোর হয়েছে, তাই তথ্য নির্ভুল হওয়া জরুরি।
আবশ্যিক ডকুমেন্ট ও তথ্য:
বিকাশ সিম: যে সিমে বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে, সেটি সক্রিয় থাকতে হবে। (অবশ্যই আপনার নামে রেজিস্টার্ড সিম)।
বিকাশ অ্যাকাউন্ট: একটি সাধারণ পার্সোনাল বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, যা KYC ভেরিফাইড (জন্ম তারিখ ও ছবি আপলোড করা)।
ছবি: আপনার একটি পরিষ্কার পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সফট কপি) এবং দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে তোলা একটি স্পষ্ট ছবি।
ব্যবসার তথ্য: দোকানের নাম, ঠিকানা, ব্যবসার ধরন (মুদি, ফার্মেসি, ফাস্টফুড, ইত্যাদি)।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আপনার ভোটার আইডি কার্ডের স্ক্যান কপি বা ছবি।
ট্রেড লাইসেন্স (ঐচ্ছিক কিন্তু ভালো): ব্যবসার অস্তিত্ব প্রমাণে ট্রেড লাইসেন্স থাকলে দ্রুত অ্যাপ্রুভাল হয় এবং লেনদেনের লিমিট বেশি পাওয়া যায়। ছোট দোকানের জন্য অনেক সময় ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই অ্যাকাউন্ট খোলে, তবে QR পেমেন্টের লিমিট কম থাকে।
২০২৬ সালে বিকাশ কিউআর কোড ও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ নিয়ম (স্টেপ বাই স্টেপ)
এখন আসুন মূল কাজে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলেই আপনি নিজেই bkash merchant account opening 2026 সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন। আমরা তিনটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব: অ্যাপের মাধ্যমে (সেরা), ওয়েবসাইটে, এবং সরাসরি USSD কোডে।
পদ্ধতি ১: bKash Merchant App-এর মাধ্যমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন (সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয়)
এই পদ্ধতিটি ২০২৬ সালে আরও আপডেটেড এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি হয়েছে।
অ্যাপ ডাউনলোড করুন: গুগল প্লে স্টোর থেকে "bKash Merchant" অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপ স্টোর থেকে পাবেন। এটি সাধারণ "bKash" অ্যাপ থেকে ভিন্ন।
লগইন করুন: আপনার বিকাশ একাউন্ট যে মোবাইল নম্বরে খোলা, সেই নম্বরটি ব্যবহার করে অ্যাপে লগইন করুন। OTP ভেরিফিকেশন হবে।
আপগ্রেড রিকোয়েস্ট: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে একটি হলুদ ব্যানার বা “মার্চেন্ট একাউন্ট খুলুন” নামে একটি অপশন পাবেন। সেটিতে ক্লিক করুন। (যদি নাও পান, মেনু থেকে "Merchant Registration" খুঁজুন)।
তথ্যপূর্ণ ফর্ম পূরণ করুন:
ব্যবসার নাম: আপনার দোকানের নাম লিখুন (আপনার বোর্ডে যেমন লেখা আছে)।
ব্যবসার ধরন: ড্রপডাউন মেনু থেকে সঠিক ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন (যেমন: Grocery, Electronics, Fashion, ইত্যাদি)।
ঠিকানা: ওয়ার্ড, থানা, জেলা ইত্যাদি সঠিকভাবে পূরণ করুন। গুগল ম্যাপ থেকে আপনার দোকানের অবস্থান পিন করে দেওয়ার অপশন থাকতে পারে, যা করাই ভালো।
ডকুমেন্ট আপলোড:
আপনার NID-এর সামনে ও পেছনের ছবি আপলোড করুন।
আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করুন।
দোকানের ছবি: পরিষ্কারভাবে আপনার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবি এবং দোকানের ভেতরের একটি ছবি আপলোড করুন। ২০২৬ সালে ফেস ভেরিফিকেশন (সেলফি) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ভেরিফিকেশন ও সাবমিট: সবকিছু যাচাই করে সাবমিট করুন। আপনার আবেদনটি পর্যালোচনার জন্য জমা হবে। ২-৩ কর্মদিবসের মধ্যে এসএমএস-এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভাল বা কোনো ডকুমেন্ট লাগলে তার নোটিফিকেশন পাবেন।
পদ্ধতি ২: অনলাইন ওয়েব ফর্মের মাধ্যমে আবেদন
যাদের স্মার্টফোনে জায়গা কম বা অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা হয়, তারা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।
বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মার্চেন্ট সেকশনে যান (bKash.com/merchant)।
"রেজিস্টার অ্যাজ আ মার্চেন্ট" বাটনে ক্লিক করুন।
একটি ফর্ম আসবে যেখানে আপনার মোবাইল নম্বর, NID নম্বর, ইমেইল (ঐচ্ছিক) এবং ব্যবসার ধরন দিতে হবে।
পরবর্তী ধাপে একই ধরনের ছবি আপলোড করতে হবে এবং দোকানের ঠিকানা দিতে হবে।
সাবমিট করলে আপনার ফোনে একটি রেফারেন্স নম্বর আসবে। এই পদ্ধতিতে ভেরিফিকেশন শেষে যদি অ্যাপ্রুভ হয়, তাহলে আপনাকে bKash Merchant অ্যাপটি ডাউনলোড করে লগইন করতেই হবে QR কোড পেতে।
পদ্ধতি ৩: ডায়াল কোড (USSD) ব্যবহার করে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন (ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য)
যাঁদের কাছে স্মার্টফোন নেই অথবা যাঁরা কী-প্যাড ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য বিকাশ একটি কোড নম্বর চালু রেখেছে। এটি কিওর খোলার নিয়ম নামে পরিচিত; এখানে আপনি প্রাথমিকভাবে QR কোড জেনারেট করতে আবেদন করেন।
আপনার বিকাশ সিম থেকে ডায়াল করুন *247*14# (২০২৬ সালের আপডেটেড কোড, পরিবর্তন হতে পারে)।
একটি মেনু আসবে যেখানে লেখা থাকবে "মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশন"।
সেখানে আপনার দোকানের নাম এবং ব্যবসার ধরন (গ্রোসারি=১, ফার্মেসি=২, ইত্যাদি) লিখতে হবে।
একটি রেফারেন্স নম্বর আসবে। এর কিছুক্ষণ পর বিকাশের প্রতিনিধি আপনার সাথে ফোনে যোগাযোগ করবেন এবং সরাসরি দোকানে এসে QR কোডের স্টিকার দিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনার ছবি এবং NID-এর ফটোকপি প্রস্তুত রাখতে হবে।
আপনার বিকাশ কিউআর (QR) কোড সংগ্রহ ও প্রদর্শন
অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ হওয়ার পর আপনার মার্চেন্ট ওয়ালেট তৈরি হবে। এবার QR কোড পাওয়ার পালা।
ডিজিটাল QR: bKash Merchant অ্যাপের হোম স্ক্রিনেই আপনার ইউনিক QR কোডটি দেখাবে। এটি আপনি মোবাইলের স্ক্রিনেই গ্রাহককে স্ক্যান করতে দিতে পারেন। অথবা স্ক্রিনশট নিয়ে প্রিন্ট করে দোকানে লাগাতে পারেন।
প্রিন্টেড স্টিকার: অনেক সময় বিকাশ এজেন্ট বা প্রতিনিধি ফ্রি-তে ডেস্ক স্ট্যান্ড বা দেয়ালে লাগানোর স্টিকার দিয়ে যান, যাতে আপনার QR কোড প্রিন্ট করা থাকে। “কিওর” বলতে বাংলায় আমরা এই স্টিকারকেই বুঝি।
পেমেন্ট প্রক্রিয়া: গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাপ খুলে “Scan QR” অপশনে ক্লিক করে এই কোড স্ক্যান করবে, পরিমাণ টাকা বসিয়ে পেমেন্ট করবে। মুহূর্তেই টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন সীমা ও চার্জ (মার্চেন্ট একাউন্ট ফি)
অনেকেই মনে করেন মার্চেন্ট একাউন্ট মানেই সম্পূর্ণ ফ্রি, কিন্তু লেনদেনের ধরন বুঝে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। জেনে রাখুন:
সেবা
লিমিট/চার্জ (২০২৬)
পেমেন্ট গ্রহণ (QR/পেমেন্ট গেটওয়ে)
সম্পূর্ণ ফ্রি। গ্রাহক টাকা পাঠালে কোনো কেটে নেওয়া হবে না।
ডেইলি পেমেন্ট গ্রহণের লিমিট (NID ছাড়া)
৳ ৫,০০০ – ৳ ১০,০০০ (অস্থায়ী)
ডেইলি পেমেন্ট গ্রহণের লিমিট (ট্রেড লাইসেন্স সহ)
৳ ১,০০,০০০ বা তার বেশি
মার্চেন্ট ওয়ালেট থেকে ব্যাংকে ট্রান্সফার
বিনামূল্যে বা ৳ ১০-১৫ ফি (প্রোমো হিসেবে ফ্রি থাকে)
ক্যাশ আউট (এজেন্ট থেকে)
প্রযোজ্য নয় (মার্চেন্ট টাকা তোলার জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার বাধ্যতামূলক)
মার্চেন্ট ওয়ালেটের সর্বোচ্চ ব্যালেন্স
৳ ৩,০০,০০০
গুরুত্বপূর্ণ: ২০২৬ সালে অনিবন্ধিত বা “আনলাইসেন্সড” ব্যবসায়ীদের জন্য কিউআর পেমেন্ট নেওয়ার লিমিট অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পেতে দোকানের কাগজপত্র আপডেট রাখুন।
বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে: ই-কমার্স ও ফেসবুক পেজের জন্য
যদি আপনার ফিজিক্যাল দোকান না থেকে অনলাইন শপ (ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ) থেকে থাকে, তাহলে আপনাকে “bKash Online Payment Gateway” ইন্টিগ্রেশন করতে হবে। এটি মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম-এরই পরবর্তী ধাপ।
প্রথমে আপনাকে একটি সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে উপরের নিয়মে।
তারপর bKash Merchant অ্যাপের “Payment Gateway”-এ গিয়ে Apply করতে হবে।
আপনার ওয়েবসাইটের URL এবং ব্যবসার ডকুমেন্টস (ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন) জমা দিতে হবে।
টেকনিক্যাল টিম API ডকুমেন্টেশন দেবে, যা ডেভেলপার আপনার সাইটে বসিয়ে দিলেই অনলাইন পেমেন্ট চালু হবে।
বাংলা কিওর (QR) খোলার নিয়ম: কিছু জরুরি টিপস ও সতর্কতা
ঠকবাজি থেকে সাবধান: গ্রাহককে কখনো আপনার পিন বা OTP দেবেন না। পেমেন্ট নেওয়ার জন্য আপনার কোনো পিনের দরকার হয় না, গ্রাহক দেবে।
ফেইক QR কোড: মাঝে মাঝে স্টিকার চেক করুন, কেউ জাল স্টিকার লাগিয়ে দিলে টাকা হাতাতে পারে। bKash Merchant অ্যাপ থেকে প্রতিবার পেমেন্ট আসার সাউন্ড চালু রাখুন; টাকা ঢুকলে স্পষ্ট “টিং” সাউন্ড হবে।
কিওর লেনদেন কনফার্মেশন: গ্রাহক বললেন “টাকা পাঠিয়েছি”, কিন্তু আপনার ফোনে মেসেজ আসেনি? কখনো পণ্য দেবেন না। অপেক্ষা করুন, নোটিফিকেশন দেখে তবেই দিন।
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ: একনাগাড়ে অনেক দিন ব্যবহার না করলে বা সন্দেহজনক লেনদেন করলে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট স্থগিত হতে পারে। সব সময় নিয়ম মেনে ব্যবসার টাকাই লেনদেন করবেন।
টিপস
২০২৬ সালে ব্যবসার ডিজিটাইজেশন মানে শুধু একটি ফেসবুক পেজ খোলা নয়, বরং নিরাপদ ও দ্রুত লেনদেন নিশ্চিত করা। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এবং কিউআর কোড খোলার নিয়ম এতটাই সরল যে পাঁচ মিনিটেই আপনি আবেদন করে ফেলতে পারেন নিজের দোকানকে আধুনিক ক্যাশলেস জগতে নিয়ে আসতে। আপনার পার্সোনাল অ্যাকাউন্টকে আজই মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে আপগ্রেড করে নিন, ব্যবসার হিসাব রাখুন স্মার্টলি এবং গ্রাহককে উপহার দিন ঝামেলামুক্ত কেনাকাটার অভিজ্ঞতা। মনে রাখবেন, “ক্যাশ ইজ কিং, ডিজিটাল পেমেন্ট ইজ”। নিচের মতামত বক্সে আপনার কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে জানাতে পারেন,

এ এস ডি আইটি জোন বিডি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। এবং কোন প্রকার প্রতারণামূলক লিংক শেয়ার করা যাবে না
comment url